ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত দেশের ভেতরের খেলায়ও হিজাব নিষিদ্ধের কথা ভাবছে ফ্রান্স ইউনূস-মোদি বৈঠক অনেক ফলপ্রসু হয়েছে: প্রেস সচিব মুসলিম বিদ্বেষের অভিযোগ, বয়কটের মুখে সালমানের ‘সিকান্দার’ বিবাহবার্ষিকীতে নাচের সময় হার্ট অ্যাটাক, ওয়াসিমের মৃত্যু ইনজুরির কারণে শেষ ওয়ানডে থেকে ছিটকে গেলেন চ্যাপম্যান দুর্নীতির বিরুদ্ধে যৌথভাবে লড়াইয়ে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ২০১৫ সালের ছবি মোদিকে উপহার দিলেন ড. ইউনূস শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ জীবিকার তাগিদে ফিরছে মানুষ, ভোগান্তিহীন যাত্রায় স্বস্তি বিতর্কিত ওয়াকফ বিল পাস, সংসদে বিলের কপি ছিঁড়ে যা বললেন ওয়াইসি ১৫ ঘণ্টা পর অনলাইনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু চিকেন’স নেক নিয়ে উদ্বেগে ভারত, ভারী অস্ত্র ও সেনা মোতায়েন! ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির বৈঠক প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করলো দ. কোরিয়া, ৬০ দিনের মধ্যে নির্বাচন জাতীয় নির্বাচন যত দ্রুত সম্ভব আয়োজন করাই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার বাণিজ্য যুদ্ধে কেউ-ই বিজয়ী হয় না : ইউরোপীয় ইউনিয়ন থাই বিশিষ্টজনদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক সদরঘাটে ঢাকামুখী মানুষের ঢল যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা

‘অর্থনীতির শ্বেতপত্র’ প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর আজ

  • আপলোড সময় : ০১-১২-২০২৪ ০৮:৪১:৩৯ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০১-১২-২০২৪ ০৮:৪১:৩৯ পূর্বাহ্ন
‘অর্থনীতির শ্বেতপত্র’ প্রধান উপদেষ্টার কাছে হস্তান্তর আজ
প্রধান উপদেষ্টার হাতে আজ রোববার (১ ডিসেম্বর) তুলে দেয়া হবে অর্থনীতির শ্বেতপত্র। কমিটির সদস্যরা জানিয়েছেন, দুর্নীতিবাজ ধরতে নয় বরং অনিয়ম-দুর্নীতির পথ বন্ধে করণীয়, সেইসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে বর্তমান অর্থনীতির ক্ষত। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, চিহ্নিত সমস্যা সমাধান করতে না পারলে কোনো সুফল দেবে না শ্বেতপত্র।উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নাজুক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে মন্দাভাবকে এই মুহূর্তে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। এমন অবস্থায় আজ প্রধান উপদেষ্টার হাতে তুলে দেয়া হচ্ছে দেশের কালো অর্থনীতির শ্বেতপত্র। যেখানে থাকবে কেন এমন নাজুক পরিস্থিতিতে দেশের অর্থনীতি আর সেখান থেকে উত্তরণের উপায় কী।অর্থনীতিবিদ ও শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির সদস্য এম আবু ইউসুফ বলেন, অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা, কী কী সমস্য ছিল ইত্যাদি বিষয়ের বেঞ্চমার্ক শ্বেতপত্রে আলোচনা করা হয়েছে।ঠিক কী কী থাকছে শ্বেতপত্রে? তিনি এমন প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেও শুরু থেকেই ধারণা দিয়েছেন কমিটি প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। গত ২৯ আগস্ট কমিটির প্রথম বৈঠক শেষে তিনি জানান, কমিটি কোনো দুর্নীতি ধরবে না, দুর্নীতির মাত্রা মূল্যায়ন করবে।
 
বিভিন্ন বৈঠক শেষে জানানো হয়েছে, বিশেষভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে হাসিনা সরকারের আমলে জ্বালানি খাতে যত চুক্তি হয়েছে, সেখানে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি-না। আলোচনা হয়েছে অর্থ-সম্পদ পাচার ও তা ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে। শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটিকে সরকারি ২৪ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভুল তথ্যে সাজানো হয়েছে বিগত সরকারের উন্নয়ন দর্শন।গত ২ অক্টোবর সিলেটে এক বৈঠক শেষে শ্বেতপত্র কমিটির প্রধান জানান, বৈষম্য দূরীকরণ ও সংস্কারের বিষয়ে তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই কমিটির কাজ। সরকারের উচ্চ পর্যায়ের ৮৫ জন কর্মকর্তা শ্বেতপত্র কমিটিকে জানিয়েছেন হাসিনা সরকারের আমলে রাজনীতির কাছে জিম্মি ছিল আমলাতন্ত্র-অর্থনীতি।শ্বেতপত্রে থাকছে জ্বালানি খাতে লুটপাটের চিত্র। সবশেষ গত ২৮ নভেম্বর ড. দেবপ্রিয় জানান, আগামীকাল সোমবার (২ ডিসেম্বর) আর্থিক খাতের লুটপাটের ফিরিস্তি তুলে ধরবে অন্তর্বর্তী সরকার। ব্যাংক ও জ্বালানিখাতে বেশি লুটপাট হয়েছে। এসব তুলে ধরা হবে প্রতিবেদনে।
 
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শ্বেতপত্রে তুলে ধরা সমস্যা সমাধান করাই হবে সরকারের সাফল্য। অর্থনীতিবিদ ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশের অর্থনীতিতে গত ১৫ বছরে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। আগেও সমস্যা চিহ্নিত করা হয়েছিল; কিন্তু সমাধানে উদ্যোগ নেয়া হয়নি। বর্তমান সরকারকে শ্বেতপত্রে তুলে ধরা সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।এর আগে, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরতে গত ২৮ আগস্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের একটি শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
 

কমেন্ট বক্স
নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত

নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত